শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

‘রিজার্ভ নিয়ে আইএমএফের লক্ষ্য কখনো পূরণ করা যাবে না’

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যে লক্ষ্য দিয়েছে তা কখনো পূরণ সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

রিজার্ভের অবস্থা ভালো দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির প্রাণবিন্দু, আমাদের মূল এলাকা যেগুলো আছে সেটা হচ্ছে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে। আমি দাবি করব ভালো।’

এসময় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়, আইএমএফ যে টার্গেট দিয়েছে তা তো পূরণ হয়নি? উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আইএমএফ যে টার্গেট দিয়েছে, ওদেরটা কখনো পূরণ করা যাবে না। আইএমএফ কী টার্গেট দিয়েছে বলেন? ১২ দিনের ইনকাম হচ্ছে আমাদের লায়াবিলিটি।’

ব্যাংকিং খাত নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে আমরা রিফর্ম এনেছি। এই রিফর্মের কারণে আমরা এখনো জীবিত আছি। যদি আমাদের ৬-৯ সুদের হার না থাকত… আমরা যদি আগের মতো সুদের হার ২২-২৪ শতাংশ রাখতাম তাহলে এতদিন আমরা কোথায় চলে যেতাম, হারিয়ে যেতাম। দেশের অর্থনীতি হারিয়ে যেত, দেশের মানুষ হারিয়ে যেত। কিন্তু আমরা সেই কাজটি করতে দেইনি।’

এখন তো আবার সুদের হার বাড়ছে? এমন প্রশ্ন করা হলে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘সুদের হার বাড়ে যদি এটা অ্যাকুমুলেট করতে পারে, হোয়াই নট? আমরা অ্যাকুমুলেট করতে পারতাম না, আমাদের ছোট ব্যবসায়ীরা, মাঝারি উদ্যোক্তারা এমনকি বড় উদ্যোক্তরা সবগুলো ছিল…। আমরা সেগুলোকে রক্ষা করেছি। পরে আমাদের খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছিল, খেলাপি ঋণ যাতে না বাড়ে সে জন্য আমরা এটাকে বাস্তব অবস্থার নিয়ে আসলাম। আমরা সময় বাড়িয়ে খেলাপি হতে দেইযন। দুই-একটা ক্ষেত্রে আমরা অস্বাভাবিক লেনদেন লক্ষ্য করেছি। সেগুলো এবার থাকবে না ইনশাল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আগামীতে বাংলাদেশে মূল চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি; সাংবাদিকরা বিষয়টি উল্লেখ করলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন ঠিক বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী যে চিন্তা করেন, আমরাও একই চিন্তা করি‌। আমাদের আলাপ আলোচনা হয়। অর্থনীতির দুর্বল হলে সরকার কীভাবে টিকে থাকবে, আর দেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে। আমি এখনো বলি, আমরা ভালো অবস্থানে আছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com